কপালে টিপ পড়ার কিছু শারীরিক উপকারিতা জেনেনিন

শাড়ির সঙ্গেই সবাই মূলত টিপ পরে থাকেন বেশি। টিপ না পরলে যেন সাজ সম্পূর্ণ হয় না। অনেকে শিশুদের যেন নজর না লাগে তাই তাদেরকেও টিপ পরিয়ে থাকেন। দুই ভ্রূরমাঝে এই টিপ পরার কিন্তু কিছু বৈজ্ঞানিক সুবিধা রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক টিপ পরার সুবিধাগুলো।

ছবি

১. ভ্রুর মাঝে টিপ পরার প্রচলন এক অর্থে ভাল কারণ দেহের সব গুরুত্বপূর্ণ নার্ভগুলো মস্তিস্কের এই অঞ্চলে থাকে। অর্থাৎ নার্ভগুলোর সংযোগস্থল এটি। তাই এখানে একটি টিপ ধর্মীওভাবেও আমাদের শান্ত ও জাগ্রত রাখতে সাহায্য করে। এটি মেডটেশন করতেও সহায়তা করে।

২. মস্তিস্কের মাথার এই বরাবর যদি আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেয়া যায় তাহলে কিন্তু মাথা ব্যাথা অনেক সময় কমে যায়। শরীরের এই অংশে শিরা উপশিরা গুলি এক কেন্দ্রমুখী৷ ফলে এই জায়গাটিতে চাপ দিলে শিরা উপশিরাগুলি শিথিল হয়৷ তাই ব্যাথা কমে৷ টিপ পরলেও তাই আরাম বোধ হয়।

৩. মুখের বলিরেখা দূর করতেও কিন্তু এই অংশে চাপ দিলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে। কারণ চেহারার সব শিরা উপশিরাগুলো এই অঞ্চলে কেন্দ্রস্থল। তাই এই স্থানে অল্প চাপ পড়লে আমাদের নাক, মাথা, ও মুখের রক্তসঞ্চালন বাড়ায়৷ যা মুখের বলি রেখা দুর করতে বা তৈরী হতে সাহায্য করে।

. চোখের শিরার ফাইবার বহনকারী শিরাগুলির কেন্দ্রস্থল আমাদের এই কপালে৷ তাই এই স্থানে চাপ মা ম্যাসাজ করলে তা চোখের পক্ষেও উপকারি।

৫. মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এই টিপ কারণ টিপ পরার ফলে শিরা উপশিরাগুলোতে রক্ত সঞ্চালন করে। এছাড়া প্রতিদিন কয়েক সেকেন্ডের জন্য এই স্থানে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি মিলতে পারে৷ সংগৃহীত

2 thoughts on “কপালে টিপ পড়ার কিছু শারীরিক উপকারিতা জেনেনিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *